শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪ ৭ই বৈশাখ ১৪৩১
Smoking
 
আজ শহীদ আসাদ দিবস
প্রকাশ: ১০:০০ am ২০-০১-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:০৯ am ২০-০১-২০১৮
 
 
 


আজ ২০ জানুয়ারি শনিবার শহীদ আসাদ দিবস।

১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্রসমাজের ১১-দফা কর্মসূচির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে জীবন দেন ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বিভিন্ন সংগঠন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গেট সংলগ্ন শহীদ আসাদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

আসাদ শহীদ হওয়ার পর তিনদিনের শোক পালন শেষে ওই বছরের ২৪ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের ছয়-দফা ও ছাত্রদের ১১-দফার ভিত্তিতে সর্বস্তরের মানুষের বাঁধভাঙা জোয়ার নামে ঢাকাসহ সারাবাংলার রাজপথে। সংঘটিত হয় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান। পতন ঘটে আইয়ুব খানের। আরেক স্বৈরশাসক ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় বসে সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দেন।

সত্তর সালের সেই অভূতপূর্ব নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। কিন্তু ইয়াহিয়া ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য নানা টালবাহানা শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় একাত্তর সালে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। মাত্র নয় মাস যুদ্ধের পর একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে বাঙালি। বিশ্বমানচিত্রে জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামে একটি নতুন দেশের।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, ‘১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক’। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য শহীদ আসাদের সর্বোচ্চ অবদান তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

আববদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে শহীদ আসাদের নাম অমর হয়ে আছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ স্বাধিকার আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। স্বাধিকার ও নিজস্ব জাতিসত্ত্বার দাবিতে সোচ্চার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে।

 
 

আরও খবর

Daraz
 
 
 
 
 
 
 
 
©ambalanews24.com | Developed & Maintenance by AmbalaIT